About Us
Learn more about our mission, vision, and history.
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Bijoy Krishna Goswami (1841-1899) was a Hindu spiritual leader, social reformer, teacher and preacher. He belonged to the Gaudiya Vaishnava tradition, and was a descendant (10th generation) of Advaita Acharya, who was one of the associates and teachers of Chaitanya Mahaprabhu. He is known for blending devotion (bhakti), spiritual practices, and social work. For example, helping the poor, sick, preaching, etc. He studied Sanskrit, was educated in Shantipur; married; had periods when he joined movements like the Brahmo Samaj, but eventually deeply rooted in devotional (Vaishnava) paths. The Akash Ganga (Sky-Ganga) Hill is located in Gaya, Bihar. It is historically/legend-wise connected with the place where Bijoy Krishna Goswami met his Guru (spiritual preceptor) Brahmananda Paramahamsadev. According to his own accounts, in 1883 AD he journeyed to the Akash Ganga Hill in Gaya, stayed in the ashram of Raghuvar Das Baba. One day a mahatma (saint) appeared at the peak, introduced himself as his long-cherished guru, gave him initiation (mantra), after which Gosaiji fell into samadhi (deep spiritual absorption) for eleven days. After that he did sadhana there. Spiritual and Cultural Significance The episode at Akash Ganga is often cited as a turning point in his life: meeting the guru, getting initiation, and then dedicating himself more fully to the path of devotion. Bijoy Krishna Goswami is revered in the Vaishnava / Bhakti community, especially in Bengal. His life is seen as illustrating practices like Naam Kirtan (chanting the name of God), self-surrender, service, non-attachment, asceticism when needed, and compassion.
🏞️ Temple Gallery
A glimpse into the divine moments captured at our temple.
Gosai Ji
JAY GOSAI
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shree Kuldanandji Brahmachari
Kuldanandji Brahmachari
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
GOSAI GON
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
GOSAI GON
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar Bhakta
SRI MOTILAL GHOSH
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
Shri Shri Bijoy Krishno Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
🏛️ Temple History
A glimpse into the rich heritage and spiritual journey of our temple.
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
পুণ্যক্ষেত্র গয়াধাম। বিষ্ণুপাদপদ্ম ধারণ করে সে ধন্য। একদিকে তার বয়ে চলেছে অন্তঃসলিলা ফল্গু – অন্যদিকে ইতস্ততঃ ছড়ানো রয়েছে ছোট ছোট পাহাড়। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনির্বচনীয় তার আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য। গয়াধামের আকর্ষণ তাই চিরন্তন। স্মরণাতীত কাল থেকে ভারতের প্রতিটি প্রত্যন্ত প্রদেশ থেকে এসেছে মানুষ পুণ্য অর্জনের জন্য। তাই পুণ্যার্থী ধর্মপিপাসু ভক্ত জনগণের অজস্র স্রোতধারা গয়াধামকে যুগে যুগে প্লাবিত করেছে। সেই স্রোতধারা আজও অব্যাহত। গয়ার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য অপরিসীম। সুদূর অতীত থেকে ভারতের প্রধান প্রধান ধর্ম আন্দোলনের এটি যেন সূতিকা গৃহ। এখানে একদিন এসেছিলেন রাজকুমার সিদ্ধার্থ। এখানে একদিন এসেছিলেন নদীয়ার পন্ডিত শ্রেষ্ঠ শ্রী গৌরাঙ্গ। আর সব শেষে ১২৯০ সালের ভাদ্র মাসে ১৯৮৩ খ্রীঃ এসেছিলেন ব্রাহ্মধর্মের প্রচারক অদ্বৈত বংশের সন্তান মহা পন্ডিত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী। বর্তমান প্রজন্মের কাছে শ্রী শ্রী বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী প্রভুজীর পরিচিতি বহুল প্রচলিত নয়। কিন্তু সমকালীন সত্যদ্রষ্টা সাধু মহাত্মাগণের নিকট তাঁর পরিচিতি অজ্ঞাত ছিল না। ভারতের শ্রেষ্ঠ মহাত্মাগণ স্বীকার করেছেন গোস্বামী প্রভু হলেন সদগুরু অবতার গুরুরূপে স্বয়ং ভগবানের অবতরণ। সুতরাং বুদ্ধ, গৌরাঙ্গ, বিজয়কৃষ্ণ হলেন ভগবানের ভিন্ন ভিন্ন রূপ – ব্রহ্মবস্তু। তাঁদের জীবনের সবটাই লীলা – আর সে ক্ষেত্র হয়েছে লীলাক্ষেত্র, ভক্তজনের তীর্থভূমি।
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
ভগীরথের মত গৌরীয় বৈষ্ণব ধর্মের ধারাকে যিনি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর দ্বারা প্রবর্তিত করেছিলেন সেই অদ্বৈতাচার্যের বংশেই দশম প্রজন্মের বিজয়কৃষ্ণের আবির্ভাব। তাঁর আবির্ভাব পূর্ব নির্ধারিত। লোচন দাসের লেখা চৈতন্যমঙ্গল ও পরমানন্দ দাসের অদ্বৈত অভিশাপ বইতে তার প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৮৪১ সালে নদীয়ার শান্তিপুরের, শিকারপুরে তাঁর আবির্ভাব। জন্মতারিখ ২রা আগষ্ট ১৮৪১। আনন্দকিশোর ও স্বর্ণময়ী দেবীর দ্বিতীয় সন্তান তিনি। আনন্দ কিশোর স্বপ্নে জগন্নাথ দেবের দর্শন পান তাঁর ঘরে আসবেন বলে। বিদ্যাশিক্ষা শুরু হয় ১৮৫০ সালে শিকারপুরের ভগবান সরকারের সংস্কৃত স্কুলে। ১৮৫৯ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজে মেডিসিন বিভাগে পড়ার সময় জনৈক ব্রিটিশ অধ্যাপক বর্ণবৈষম্যমূলক কথা বলার প্রতিবাদে প্রথম ধর্মঘট ডাকলেন। বিজয়কৃষ্ণ পরে মেডিকেল কলেজ ছেড়ে হোমিওপ্যাথি কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসক হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। উমেশ চন্দ্র দত্ত প্রকাশিত ‘আগাবাতি’ পত্রিকায় ‘আগাবাতি’ ছদ্মনামে লিখতেন। একজন ডাক্তার তাঁর রোগীকে সময়মত ওষুধ পৌঁছে দেবার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে সাঁতরে গঙ্গা পার হয়েছিলেন। তিনি আর কেউ নন বিজয়কৃষ্ণ। কিছুদিন তিনি ব্রাহ্ম সমাজে প্রবর্তক হিসাবে জীবন নির্বাহ করেন। নিষ্ঠার সঙ্গে এই নব ধর্মমত অনুসরণ করেও তাঁর অন্তর ধর্ম পিপাসায় ব্যাকুল হয়ে ওঠে, তার প্রাণ দিন দিন ঈশ্বর বিরহে ব্যাকুল হয়।
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
এই সময়ে তিনি জনৈক হিন্দু সন্ন্যাসীর সংস্পর্শে আসেন এবং নিজ অন্তরের ব্যাকুলতা প্রকাশ করেন। সন্ন্যাসী তাঁকে আধ্যাত্মিক শক্তি সম্পন্ন কোন গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণের পরামর্শ দেন। তাঁহার দীক্ষা প্রাপ্তির আনুপূর্বিক ঘটনা সম্বন্ধে তিনি বলেছেন যে তিনি যখন বাঘ আঁচড়ায় ছিলেন, তখন একদিন স্বপ্নে দেখেন যেন ঘোরতর অন্ধকার ও হিংস্রগণের বিকট চিৎকার পরিপূর্ণ একটি অরণ্যে একাকী ধ্যান করছেন। সেখান থেকে বাহির হবার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। কন্টকাঘাতে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। হিংস্র জন্তুরা প্রতিমুহূর্তে তাঁকে গ্রাস করতে আসছে। তিনি দিশাহারা ও নিরাশ্রয় হয়ে গেছেন। এমন সময় একটি আলো দেখতে পান। আলোর মধ্যে একচি হাত আঁকা আছে যা তাঁকে দিক নির্দেশ করে এবং সেই সংকেত অনুযায়ী তিনি চলতে থাকেন। হাতটি তাঁর মাথার উপর দিয়ে আগে আগে চলল এবং এইভাবে তিনি সেই ভীষণ অরণ্য থেকে পার হলেন। তারপর সামনে একটি তরঙ্গসঙ্কুল নদী পড়ল। তার পাশে সাইন বোর্ডে লেখা ‘বিশ্বাসীর পারের ঘাট’। পথ প্রদর্শক হাতটি নদীর ওপর দিয়ে চলতে লাগল এবং তিনি তাঁর পথ প্রদর্শক হাতকে অনুসরণ করে হেঁটে নদী পার হলেন। এরপর একটি পাহাড়ে উপস্থিত হলেন এবং তার উপর একটি মন্দির ছিল। মন্দিরের মধ্যে মহাবীরের প্রতিমূর্তি। এই মহাবীর তাঁকে পাহাড়ের উপরের একটি স্থান নির্দেশ করেন এবং তারপরই তাঁর নিদ্রাভঙ্গ হয়। এই ঘটনার কিছুদিন পর তিনি গয়ায় সদগুরু লাভের আশায় নানা পাহাড়, সাধু সন্ন্যাসীর আশ্রম ইত্যাদিতে ভ্রমণ করতেন তখন জনৈক ব্রহ্মচারী বন্ধুর সঙ্গে গয়া আকাশগঙ্গা পাহাড়ে রঘুবর দাস বাবাজীর আশ্রমে উপস্তিত হন এবং স্বপ্নে দেখা সেই স্থান দেখে বিস্মিত হন। সেই মহাবীরজীর প্রতিমূর্তি। তিনি রঘুবর দাসজীর কথায় সেখানেই ধ্যান করতেন। একদিন সন্ধ্যায় রাখাল বালকেরা এসে বলে যে পাহাড়ের উপর এক তেজস্বী সাধু বাবা এসেছেন। শ্রী বিজয়কৃষ্ণ গিয়ে সেই মহাত্মার চরণপ্রান্তে প্রণাম জানালেন। লোক সংঘট্টে জন্য তিনি বিজয়কৃষ্ণকে তখন চলে যেতে বললেন। পরদিন ভোরে পুণরায় ঐ স্থানে আবির্ভূত হন, তাঁকে শক্তিশালী অজপা যোগ সাধনায় দীক্ষিত করেই মহাত্মা আবার অন্তর্হিত হন।
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
সাধনশক্তির অমোঘ প্রভাবে শ্রী বিজয়কৃষ্ণ আকাশগঙ্গা পাহাড় শীর্ষে সেই দীক্ষাস্থলেই সমাধি মগ্ন হয়ে পড়লেন। প্রভাতে শ্রী বিজয়কৃষ্ণকে আশ্রমে না দেখে রঘুবর দাস বাবা চিন্তাকুল হৃদয়ে তাঁর সন্ধানে পর্বত শীর্ষে উপস্থিত হন। সেখানে বিজয়কৃষ্ণের সমাধিমগ্ন অপূর্ব মূর্তি দর্শন করে তাঁর বিস্ময়ে অবধি রইল না। ১৮৮৩ খ্রীঃ সনাতন ধর্মের অজপা যোগ সাধনায় দীক্ষিত হন। দীক্ষার একাদশ দিন আন্তে তাঁর সমাধি ভগ্ন হল। সদগুরু ঋভু, দত্তাত্রেয়, কপিল। এঁরা একই উদ্দেশ্যে, একই সত্তা নিয়ে ও একই রূপ পরিগ্রহ করে, জীব কল্যাণে পৃথিবীতে আসেন। শ্রীগুরুর আদেশে বারাণসীধামে আবার শ্রীমৎ স্বামী হরিহরানন্দ সরস্বতীর নিকট থেকে সন্ন্যাস গ্রহণ করে শ্রী বিজয়কৃষ্ণ আবার আকাশপক্ষা পাহাড়ে ফিরে আসেন। সন্ন্যাস গ্রহণের পর নাম হয় অচ্যুতানন্দ পরমহংস এবং রঘুবর বাবার আশ্রম সেবক শ্রী বিহারীদাসকে ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দে অজপা যোগ সাধনায় দীক্ষিত করেন। শ্রী বিজয়কৃষ্ণের দীক্ষাস্থান ভজনস্থলী এবং সিদ্ধিভূমি এ যুগের সাধন সত্তার বোধন ক্ষেত্র – শ্রী গুরু শিখর। দীক্ষা প্রাপ্তির পর একটি লৌহশলাকা দিয়ে তিনি দীক্ষাস্থানে পাহাড়পাত্রে “ঔঁ এই স্থানে মানস সরোবরের পরমহংস শ্রী বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীকে দীক্ষা প্রদান করেন জয় গুরো ঔঁ ১২৯০” এই কথাগুলি খোদাই করতে শুরু করেন। কিন্তু লৌহশলাকা ভেঙে যাওয়ায় খোদাই কাজটি স্থগিত থাকে। পরবর্তীকালে তাঁর সুযোগ্য শিষ্য গয়ার আইনজীবি বরদাকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় গোস্বামী প্রভুর অনুমতিক্রমে ওই আরদ্ধ কর্মটি ১২৯৭ সালে সম্পন্ন করেন। গয়ার স্থানীয় বাসিন্দা মতিলাল ঘোষের নেতৃত্বে গোস্বামী প্রভুর শিষ্যগণ ১৯১০ খ্রীঃ থেকেই আকাশগঙ্গায় দীক্ষার স্মরণোৎসব আরম্ভ করেন। ১২৯০ সালের ভাদ্র মাসে শ্রী বিজয়কৃষ্ণ দীক্ষা লাভ করেন। বর্ষাকালে পাহাড় দুর্গম থাকায় এবং ২৫শে ডিসেম্বরের সময় সকলের সুদীর্ঘ অবকাশ থাকার কারণে ও মনোরম পরিবেশের জন্য ওই সময় দীক্ষা উৎসব পালন হত। দীক্ষাস্থানে পর্বত গাত্রে শিলালেখ ও সুরক্ষার জন্য গোস্বামী প্রভুর প্রিয় শিষ্য স্বামী কিরণচাঁদ দরবেশজী মহারাজ ১৯২২ খ্রীঃ পর্বতের উপর একটি ক্ষুদ্র মন্দির নির্মাণ করে দেন। পার্টনার ইঞ্জিনিয়ার প্রমোদরঞ্জন বসু, ওভারশিয়ার অচ্যুদানন্দ রায়চৌধুরী ও কনট্রাক্টর মোহিনী মোহন ঘোষ এবং কলকাতার ব্যবসায়ী তারক সাহা প্রভৃতিকে দিয়ে দরবেশজী মহারাজ পূর্বের মন্দিরের স্থলে বর্তমান সুদৃশ্য মন্দিরটি তৈরি করান। গয়ার তৎকালীন জমিদার বৈজনাথ নাগকোপারের নিকট থেকে ঐ স্থানটি কেনা হয়।
Shri Shri Bijoy Krishna Goswami Gaya Akash Ganga Pahar
সাম্প্রতিক সরকারী জরিপে মূল আশ্রমটি ৮৬, ৮৭, ৮৮, ৮৯ ও ৯০ নং দাগে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই আশ্রমেই কুলদানন্দজীর পাকা হোমকুন্ড পাশেই রঘুনাথজীর শ্রী গোপালজী মন্দির। এখানেই পবিত্র গুহার সীমান্তে সমাধি মগ্ন শ্রী বিজয়কৃষ্ণের দেহ একাদশ দিন রক্ষিতও ছিল। গয় আকাশগঙ্গা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা স্বামী কিরণচাঁদ দরবেশজী, গয়া শহরের বিশিষ্ট আইনজীবী বরদাকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় সম্ভ্রান্ত অধিবাসী মতিলাল ঘোষ, হীরালাল ঘোষ এবং গোস্বামী প্রভুর আরও অনেক শিষ্য আকাশ গঙ্গায় অবস্থান করে যোগ সাধনা করে গিয়েছিল এবং স্থানটির সুরক্ষার নানাবিধ ব্যবস্থা করে গিয়েছেন। স্বামী কুলদানন্দজীর শিষ্য স্বামী কৃষ্ণানন্দজীর ঐকান্তিক ইচ্ছা, কঠোর শ্রমে ও তত্ত্বাবধানে ৮৮ নং দাগ থেকে ৯২ নং দাগের মধ্য দিয়ে পাহাড় শীর্ষে ৯১ নং দাগে অবস্থিত দীক্ষা মন্দির পর্যন্ত সিঁড়িটি ১৯৬৫ – ৬৬ সালে নির্মিত হয়। পাহাড়ের নীচ থেকে আরম্ভ করে ৮৮ নং দাগ পর্যন্ত দীনশীলা অহল্যাবাই নির্মিত জরাজীর্ন সিঁড়িটিও ঐ সময় সমিতি পুননির্মাণ করেন। সমিতির কাজে সন্তুষ্ট হয়ে জেলাশাসকের পরামর্শে ১৯৬০ খ্রীঃ সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন আইন মোতাবেক পার্টনার রেজিস্ট্রি করা হয়। ৮১ নং দাগে স্বামী কৃষ্ণানন্দজীকে সমাহিত করা হয়। পাহাড়ের সিঁড়ির নীচের প্রশস্ত জায়গা সমেত সমস্ত পাহাড়টি আশ্রমের আওতায় ছিল। ৮৭ নং দাগের সংলগ্ন ৮৪ ও ৮৬ দাগদুটি আশ্রমের বাগ বাগীচা। ৮৭ দাগটিতে আকাশগঙ্গা ঝরণা। ভক্তের উপর কৃপাপরবশ হয়ে মহাবীরজী, এই অন্তঃসলিলা পবিত্র ঝরণা সৃষ্টি করেন। ভূমিকম্পে মহাবীরজীর বিগ্রহ নীচে পতিত হলে ভারী দেহ উপরে তোলা সম্ভব হয় নাই। তাই ঝরণার পাশেই তাঁকে স্থাপিত করা হয়েছে। এর পাশে বহুদিনের অনির্বাণ ধুনি। এখানে কালীমাতা, মার্তন্ডদেব, রঘুবর বাবার গোপাল প্রভৃতি বিগ্রহ সহ বিজয়কৃষ্ণ পূজিত হন। ২২শে জৈষ্ঠ ১৩০৬ ৪ঠা জুন ১৮৯৯ সালে মাত্র ৫৭ বছর বয়সেই তিনি চির সমাধি মগ্ন হন পুরীধামে। পরিশেষে রাণী ভবাণী বিদ্যালয়ের সংস্কৃত ও বাংলা সাহিত্যের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হিমাংশ কুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আকাশ গঙ্গা স্ত্রোত্রম্ এর কয়েকটি পংক্তি উদ্ধৃত করছি। এটি ৬নং স্তবক। প্রভু দীক্ষাধাম স্মৃতিরক্ষার্থ মুদ্যোগিনন্ডে চিরধন্যাং দাস বিহারী কুলদানন্দ। কিরণ চাঁদ ঋষি কল্পা প্রণম্যা – তথা মোতিলাল মোহিনী মোহন কৃষ্ণানন্দাম্বুজাক্ষাচ্চ্যুতানন্দ নরোত্তমানন্দ প্রমুখা ভক্তবৃন্দাঃ সর্বে প্রভুপাদধন্যাজনগণ পুজ্যাঃ।
📞 Contact & 💰 Donation Information
Get in touch with us or support our temple activities
📞 Contact Information
General Secretary: Shyamachand Banerjee
Contact: 7908989741 / 9475498130
President: Jagadish Chandra Paul
Contact: 9432869937
Address: Akash Ganga Hill in Gaya, Bihar
Pin: 823001
Email: sbanerjeeprl2014@gmail.com
Time: Daily: 6:00 AM - 9:00 PM
💰 Donation Information
Your kind donations help maintain the temple and organize spiritual activities.
Bank Name: State Bank of India
Account Name: The Gaya Akas Ganga Samity
Account Number: 10241258939
IFSC Code: SBIN0001652
Branch: BAGHBAZAR BRANCH